আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, দেশের বিদ্যমান মামলার জট কমাতে লিগ্যাল এইড কার্যক্রমকে আরো বেশি কার্যকর করতে হবে। তিনি বলেন, ন্যায়বিচার মানুষের শাশ্বত ও সহজাত অধিকার—এ অধিকার নিশ্চিত করতে লিগ্যাল এইড সেবাকে দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।
আজ রাজধানীর সুপ্রীম কোর্ট অডিটোরিয়ামে সুপ্রীম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি আয়োজিত ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে লিগ্যাল এইডের ধারণা প্রথম আসে ১৯৯৪ সালে। সে সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গরিব ও অসহায় মানুষের আইনি সহায়তার জন্য একটি তহবিল গঠন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে সেই উদ্যোগকে আরো বিস্তৃত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ খাতে বরাদ্দ বাড়ানো জরুরি। বর্তমানে বিচার বিভাগের জন্য প্রায় ২২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় কম। লিগ্যাল এইড কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে অতিরিক্ত অর্থায়নের প্রয়োজন হবে বলেও তিনি জানান।
সুপ্রীম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন আপিল বিভাগের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব, সুপ্রীম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি, অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, সুপ্রীম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মনজুরুল হোসেন এবং সুপ্রীম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসার মো. ইমতিয়াজুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি, আইনজীবী, লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা এবং বিদেশি উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা,মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















